জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে উপচে পড়া ভিড়
এই সময়, কোচবিহার: প্রায় তিন মাস বন্ধ ছিল জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের ডিজিটাইলেজশনের করার কাজ। একই সঙ্গে বন্ধ ছিল সংশোধনী বা নতুন শংসাপত্র দেওয়ার কাজ। এর ফলে প্রতিদিনই পুরসভা থেকে বহু মানুষ ঘুরে গিয়েছেন। সেই কাজ শুরু হতেই নজিরবিহীন ভিড় লক্ষ্য করা গেল কোচবিহার পুরসভা চত্বরে। ১৮ অগস্ট থেকে পুনরায় শংসাপত্রের কাজ শুরু হয়। আর ৩১ অগস্ট, মাত্র ১৪ দিনেই পাঁচ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ল কোচবিহার পুরসভায়।গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও কোচবিহার পুরসভা চত্বরে কয়েকশো মানুষ সকাল থেকেই ভিড় করেন। দীর্ঘ লাইন এসে পড়ে মূল রাস্তায়। সামাল দিতে নামানো হয় পুলিশ। পরে বিকেল চারটে বাজতেই কোচবিহার পুরসভার প্রধান গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় স্লিপ। বুধবারের তারিখ দিয়ে ১৩৫ জনকে স্লিপ ধরিয়েছে এদিন পুর কর্তৃপক্ষ। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পারমিতা ভড় আচার্য নামে এক গৃহবধূ বলেন, 'অনলাইনে জন্ম শংসাপত্রের কাজ হচ্ছে না। তাই সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। তার ওপর আবার এদিন শুধু ফর্ম তোলা যাবে। পরে নাকি তা জমা করতে হবে। এগুলো শুধু হয়রানি। রফিকা খাতুন নামে আরেকজন বলেন, 'তিন ঘণ্টার বেশি লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এই কাজ করতে এত হয়রানি হতে হবে তা জানা ছিল না। সন্তানের আধার কার্ড করতে ডিজিটাল শংসাপত্র প্রয়োজন। তাই লাইনে আছি।'কোচবিহার পুরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক আধিকারিক বলেন, 'জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি বা সংশোধনীর কাজ এখন নিয়মিত ভাবেই চলবে। সাধারণ মানুষ অনেকেই গুজবে তাড়াহুড়ো করে এই কাজ করতে চাইছেন। তাই এত ভিড়।'