Menengah adalah tahap mandiri: kamu bisa mengikuti poin-poin utama teks Bengali asli tentang topik yang familier. Pelajaran ini memakai teks lebih panjang dan susunan kalimat yang natural, jadi kamu bertemu bahasa seperti yang benar-benar dipakai orang.
Sekitar 2.000 kata dan kira-kira 350–400 jam belajar untuk mencapai level ini.
MasyarakatMenengahবাংলা ১৪৩৩ সনের ভাদ্র ও আশ্বিন মাসের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে সেপ্টেম্বরের ভাগ্যচক্র। এই মাসে বুধের নিজ রাশি কন্যাতে গোচর এবং সিংহ থেকে কন্যায় সূর্যসংক্রান্তি ঘটছে। সঙ্গে স্বরাশিতে শুক্র ও কর্কটে মঙ্গল অবস্থান করায় তৈরি হচ্ছে বুধাদিত্য ও মালব্য যোগ। ভাদ্রের আমাবস্যা থেকে শারদীয় আশ্বিনের সূচনায় গ্রহের এই গতিবিধি ১২ রাশির জীবনযাত্রায় বিরাট রদবদল আনতে চলেছে। জেনে নিন সেপ্টেম্বর কেমন কাটবে আপনার?
‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর ফাঁদে ফেলে নদিয়ার কল্যাণীর এক চিকিৎসকের কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উঠেছিল আগেই। প্রায় দু’বছর পরে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে দুই নাইজেরিয়ানকে গ্রেপ্তার করল রানাঘাটের সাইবার থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম জুনাইদা টুকুর সানি এবং আলিয়ু সানি গার্বা। পুলিশ সূত্রে খবর, দু’জনেই ভোপালের একটি কলেজে পড়াশোনা করতেন। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁদের কল্যাণীতে নিয়ে আসা হয়েছে।এক নজরেকী অভিযোগ: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর ফাঁদে ফেলে কল্যাণীর এক চিকিৎসকের কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।কবে ঘটনা: ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।কোথা থেকে গ্রেপ্তার: মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে দুই নাইজেরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে রানাঘাটের সাইবার থানার পুলিশ।ধৃতদের পরিচয়: জুনাইদা টুকুর সানি এবং আলিয়ু সানি গার্বা। দু’জনেই ভোপালের একটি কলেজে পড়াশোনা করতেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তদন্তে কী উঠে আসছে: এই প্রতারণার পিছনে আরও বড় কোনও আন্তর্জাতিক চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪-এর ৭ নভেম্বর ওই চিকিৎসকের মোবাইলে একটি ফোন আসে। টেলিফোন বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসককে জানানো হয়, তাঁর নামে থাকা একটি সিম কার্ড ব্যবহার করে অপরাধমূলক কাজ করা হয়েছে। এর পরেই তাঁকে ভয় দেখিয়ে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করা হয় বলে অভিযোগ।৭ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় ওই চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রতারকরা মোট ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ। শেষে ২৪ নভেম্বর কল্যাণী সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।অভিযোগ পাওয়ার পরে তদন্তে নামে সাইবার থানার পুলিশ। ফোন নম্বরের সূত্র ধরে শুরু হয় তদন্ত। তখনই মধ্যপ্রদেশের ভোপালের দুই নাইজেরিয়ানের সন্ধান মেলে। এই ঘটনার সঙ্গে তাঁরাই জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। এর পরে সেখান থেকেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।ধৃতদের কল্যাণী মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, এই প্রতারণার পিছনে আরও বড় কোনও আন্তর্জাতিক চক্র কাজ করতে পারে। ধৃতদের জেরার পরেই সেই বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।FAQ১. কী ভাবে চিকিৎসককে প্রতারণা করা হয়েছিল?টেলিফোন বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিক পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফোন করা হয়। তাঁর নামে থাকা একটি সিম কার্ড দিয়ে অপরাধমূলক কাজ হয়েছে বলে ভয় দেখানো হয়। এর পর তাঁকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করার অভিযোগ ওঠে।২. চিকিৎসক কত টাকা খোয়ান?অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ থেকে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে দফায় দফায় মোট ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।৩. কবে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন চিকিৎসক?২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর কল্যাণী সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।৪. কত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?এই ঘটনায় দুই নাইজেরিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভোপাল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।৫. এই প্রতারণার পিছনে কি বড় কোনও চক্র রয়েছে?তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এর পিছনে আরও বড় কোনও আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্র থাকতে পারে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।দু'কোটির ডিজিটাল অ্যারেস্ট: তদন্ত-নির্দেশ সিবিআইকে
এই সময়, মালদা: এক নির্দল পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ির সামনে গ্রামবাসীদের লম্বা লাইন। বারান্দায় বসে রয়েছেন হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্দল সদস্য সবিতা মাহাতোর স্বামী নিমাই মাহাতো। খাতা কলম নিয়ে একে একে গ্রামবাসীদের নাম ধরে ডাকছেন। যাঁদের ডাকা হচ্ছে, তাঁদের কেউ দিচ্ছেন ৫০ টাকা, কেউ দিচ্ছেন ১০০ টাকা। টাকা দেওয়ার পরে গ্রামবাসীদের হাতে ত্রিপল তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেগুলি সবই সরকারি। সোমবার সকাল থেকেই মানিকচক ব্লকের ভুতনি থানার হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এমন একটি ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি 'এই সময়') ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। ইতিমধ্যে নির্দল ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে মানিকচক ব্লক প্রশাসন ভূতনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার অতিরিক্ত জেলাশাসক অনিন্দ্য সরকার।হীরানন্দপুর গ্রামে রয়েছে নির্দল প্রার্থী সবিতা মাহাতোর বাড়ি। তাঁর স্বামী নিমাই পেশায় কৃষক। এই হীরানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতে বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। প্রধান রয়েছেন বিজেপির অনিমা মণ্ডল। তিনিও বিষয়টি জানার পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন। হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতটি গঙ্গার ভাঙন ও বন্যা কবলিত এলাকা। এবারও ওই এলাকায় ভাঙন চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রতি বছরই পঞ্চায়েত থেকে ত্রাণের ত্রিপল দেওয়া হয়ে থাকে। একেকটি পরিবার দুই থেকে তিনটি করে ত্রিপল পায়। কিন্তু এই সরকারি ত্রিপল টাকার বিনিময় বিলি করার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশরপুর এলাকার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিমল মণ্ডল, মনিকা মণ্ডল, আজাদ আলি বলেন, 'ভাঙনের পর অনেকেই খোলা জায়গায় রয়েছেন। বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে ত্রিপলের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে আমাদের ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর কাছ থেকে নতুন ত্রিপল কিনতে হচ্ছে। ৫০ টাকা পিস হিসাবে এক একটি ত্রিপল বিক্রি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে সরকারি ত্রিপল দেওয়া হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।'নদীর ধারে হাজার হাজার হোমস্টে, হড়পা বানে কি হুঁশ ফিরবে উত্তরেঅভিযোগ অস্বীকার করে নিতাই বলেন, 'রীতিমতো পরিকল্পনা করে আমার এই ভিডিয়ো ভাইরাল করা হয়েছে। আমি কিন্তু হাতে টাকা নিইনি। সরকারি নিয়ম মেনে যাঁরা এই ত্রিপল পাওয়ার যোগ্য, তাঁদের নাম লিখে সেগুলি বিলি করা হচ্ছিল। মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, 'বিজেপির আমলে আমরা লুটতরাজ হতে দেবো না। ভিডিয়োটি দেখেছি। এই বিষয়ে তদন্ত হবে। প্রশাসনকে বলা হয়েছে।' শিশুবিভাগে সাপ! ছোবল খেলেন সিকিউরিটি গার্ড জেলা তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, 'এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করেছি এবং উপযুক্ত আইন অনুযায়ী কঠোরতম শাস্তি চাই।' অতিরিক্ত জেলাশাসক অনিন্দ্য সরকার বলেন, 'ত্রিপল বিক্রির ভাইরাল ছবি প্রশাসনের নজরে এসেছে। নিমাই মাহাতোর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিডিওকে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'মহিলা দেখলেই বাড়ে বাসের গতি, চোপড়ায় অবরোধ
Pendidikan
আরিফ আর প্রিয়া অনলাইনে পড়ার সাথে সরাসরি ক্লাসরুমে পড়ার তুলনা করছেন। মহামারির সময় এবং পরের নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা নমনীয়তা, শৃঙ্খলা, সামাজিক যোগাযোগ এবং কোন পদ্ধতিতে মানুষ সত্যিই ভালো শেখে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
Beranjak dewasa
আরিফ আর প্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার আবেগের কথা নিয়ে আলোচনা করছেন—কান্নার বিদায়, পোড়া রান্না, মন খারাপ আর অপ্রত্যাশিত স্বাধীনতার গল্প।
Beranjak dewasa
আরিফ আর প্রিয়া তাদের কৈশোরের স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন — কীভাবে তারা বন্ধুদের চাপ সামলেছিলেন বা মেনে নিয়েছিলেন, ক্লাস ফাঁকি দেওয়া থেকে শুরু করে স্কুলের পেছনে আড্ডা দেওয়া পর্যন্ত। তারা সামাজিক প্রভাবের নেতিবাচক এবং ইতিবাচক দুই দিক নিয়েই কথা বলছেন।
Menengah14:58Kalpona South Korea
Menengah5:40Kalpona South Korea
Menengah11:27Kalpona South Korea
Ikuti tes penempatan singkat dan kami akan menyarankan dari mana harus mulai.
Ikuti tes level